১০:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাবাকে জেতাতে পারলেন না শিবির সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫১ Time View

ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাডি লড়াই হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন আবদুল হাকিম। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিগবার বাবা।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন ডা. আব্দুস সালাম। তার কাছে হেরে যান আবদুল হাকিম। বাবার জন্য কাজ করেও ভোটের মাঠে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি সিগবা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট । নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫ হাজারের কিছু বেশি।

জামায়াত প্রার্থীর ছেলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি হওয়ায় স্থানীয়দের ধারণা ছিল তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাড়তি প্রভাব ফেলবে। কিন্তু ভোটের ফলাফলে সেই প্রভাব পড়েনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

TOP NEWS

বরুড়ায় দুস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ

বাবাকে জেতাতে পারলেন না শিবির সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ

Update Time : ০৩:৪৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-২ (বালিয়াডাঙ্গী-হরিপুর) আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাডি লড়াই হয়। এতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ছিলেন আবদুল হাকিম। তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিগবার বাবা।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন ডা. আব্দুস সালাম। তার কাছে হেরে যান আবদুল হাকিম। বাবার জন্য কাজ করেও ভোটের মাঠে প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেননি সিগবা।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি ) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা. আব্দুস সালাম পেয়েছেন ১ লাখ ২১ হাজার ১৭ ভোট । নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল হাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৭০৭ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৫ হাজারের কিছু বেশি।

জামায়াত প্রার্থীর ছেলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি হওয়ায় স্থানীয়দের ধারণা ছিল তরুণ ভোটারদের মধ্যে বাড়তি প্রভাব ফেলবে। কিন্তু ভোটের ফলাফলে সেই প্রভাব পড়েনি।