মোঃ খায়রুল বাসার:
রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রতিটি নারী-পুরুষ তাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভার ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রের দ্বারস্থ হতে হয়। যেমন— দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ ও শহরাঞ্চলের পৌরসভায় ওয়ার্ডভিত্তিক ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র চালু রয়েছে।
এ সকল সেবা কেন্দ্র হতে একজন নবজাতক থেকে শুরু করে শিশু, কিশোর ও প্রাপ্তবয়স্কসহ সকল নারী-পুরুষ তাদের জন্ম নিবন্ধন থেকে শুরু করে নাগরিকত্ব সনদ, ওয়ারিশান সনদ, প্রত্যয়নপত্র, মৃত্যু সনদসহ নানামুখী সেবা গ্রহণ করে থাকেন, যা রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে প্রতিটি নারী-পুরুষের মৌলিক অধিকার বলে বিবেচিত।
কিন্তু এ সকল অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে সাধারণ নারী-পুরুষ সেবা সম্পর্কিত বিষয় সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন না হওয়ায় অনিচ্ছাসত্ত্বেও বিভিন্নভাবে হয়রানিসহ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। যেমন— জন্ম নিবন্ধন তৈরির ক্ষেত্রে একজন নবজাতকের বেলায় শূন্য থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত আদৌ কোনো সরকারি ফি আছে কি না, তা অনেকেরই জানা নেই। আবার যদি থেকে থাকে, তাহলে ফি-এর পরিমাণ কত?আবার জন্ম নিবন্ধন সংশোধনের ক্ষেত্রে কী কী নিয়ম রয়েছে, তার বিস্তারিতও আমরা অনেকেই জানি না। তাছাড়া নাগরিকত্ব সনদসহ অন্যান্য সকল সেবার সরকারি ফি কত— তাও অনেকের অজানা।
মোট কথা, এ সকল নাগরিক সেবা সম্পর্কিত তথ্যসমূহ দেশের অধিকাংশ ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রে প্রদর্শন করা হয় না বলে সাধারণ মানুষের এ সম্পর্কে জানা বা বোঝার সুযোগ হয় না। ফলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন।
তাই সারা দেশের ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রগুলোকে আরও অধিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার স্বার্থে দেশের সকল ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রে সকল নাগরিক সেবার বিবরণসহ সরকারি ফি-সম্বলিত একটি একক ফরমে তা উল্লেখ করে তুলে ধরা হলে নাগরিকরা উপকৃত হতো।
Reporter Name 








