১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩০ বছর পর আ. লীগের দুর্গে জামায়াত, কপাল পুড়ল ডা. প্রিয়াঙ্কার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৯ Time View

শেরপুর-১ (সদর) আসনটি স্বাধীনতার পর দুই দফা বিএনপির (১৯৯৬ এর ১৪ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে একবার সহ) দখলে ছিল। পরবর্তীতে দুই দফা জাতীয় পার্টি এবং সর্বশেষ ছয় দফায় আওয়ামী লীগের দখলে ছিল ৩০ বছর।  তবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি দখলে নিলেন জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।  বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা.সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার কপাল পুড়েছে। যদিও প্রিয়াঙ্কা বেশ আলোচিত প্রার্থী ছিলেন।

হাফেজ রাশেদুল ইসলাম ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন।  ২০২৪ এর ৫ আগস্টে দেশের পট পরিবর্তনের পর এলাকায় এসে একটানা নির্বাচনি কাজ করেন।

এই আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির চার দলীয় জোট হিসেবে জামায়াতকে আসনটি ছেড়ে দেয়। ওই সময় আসনটিতে তৎকালের কেন্দ্রীয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রয়াত কামারুজ্জামান নির্বাচন করেন। কিন্তু কোনোবারই তিনি জয়ী হতে পারেননি।  এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে দলীয়ভাবে নির্বাচন করে কামারুজ্জামান পরাজিত হন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

TOP NEWS

বরুড়ায় দুস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে অর্থ সহায়তার চেক বিতরণ

৩০ বছর পর আ. লীগের দুর্গে জামায়াত, কপাল পুড়ল ডা. প্রিয়াঙ্কার

Update Time : ০৩:৩৩:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শেরপুর-১ (সদর) আসনটি স্বাধীনতার পর দুই দফা বিএনপির (১৯৯৬ এর ১৪ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে একবার সহ) দখলে ছিল। পরবর্তীতে দুই দফা জাতীয় পার্টি এবং সর্বশেষ ছয় দফায় আওয়ামী লীগের দখলে ছিল ৩০ বছর।  তবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি দখলে নিলেন জামায়াতের প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম।  বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডা.সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার কপাল পুড়েছে। যদিও প্রিয়াঙ্কা বেশ আলোচিত প্রার্থী ছিলেন।

হাফেজ রাশেদুল ইসলাম ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন।  ২০২৪ এর ৫ আগস্টে দেশের পট পরিবর্তনের পর এলাকায় এসে একটানা নির্বাচনি কাজ করেন।

এই আসনে ২০০১ ও ২০০৮ সালে বিএনপির চার দলীয় জোট হিসেবে জামায়াতকে আসনটি ছেড়ে দেয়। ওই সময় আসনটিতে তৎকালের কেন্দ্রীয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল প্রয়াত কামারুজ্জামান নির্বাচন করেন। কিন্তু কোনোবারই তিনি জয়ী হতে পারেননি।  এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে দলীয়ভাবে নির্বাচন করে কামারুজ্জামান পরাজিত হন।